বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শ্যুই নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা আপনার মনে নেই তো?

এখনই শেয়ার করুন

আজকাল ‘বাস্তুশাস্ত্র’ (Science of Architecture) ও ‘ফেং শ্যুই’ (Feng Shui) নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে এই বিষয়দু’টি আসলে কী? বাস্তু আর ফেং শ্যুইয়ের মধ্যে আদৌ কি কোনও ফারাক রয়েছে? এসব নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে মানুষের মধ্যে। অথচ আমরা সবাই কমবেশি জানি যে, পজিটিভ এনার্জি (ধনাত্মক শক্তি) বৃদ্ধিতে উভয়ের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আদৌ কি কোনও ভূমিকা পালন করে? সবার আগে আমাদের এই বিষয়দু’টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রয়োজন। আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হল— বাস্তু ও ফেং শ্যুই কী? এই দু’টির কার্যকারিতাই বা কী?

অনেকের প্রশ্ন থাকে যে, সত্যিই কি এগুলি মানুষের ভাগ্যকে প্রভাবিত করতে পারে? তার উত্তরে বলা যায়, সবক্ষেত্রে পারে না। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শ্যুই নিশ্চয়ই কাজ করে। তবে বাস্তু শাস্ত্র ও ফেং শ্যুই কিন্তু এক বিষয় নয়। বরং একই মুদ্রার দু’পিঠ। পুরোপুরি ভিন্ন বিষয়।

আরও পড়ুন: ইঞ্জিনিয়ারিং সাইটের আড়ালে ভয়াবহ কর্মকাণ্ড, টের পাননি কর্মীরাও

বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শ্যুই

বাস্তুশাস্ত্রের উৎপত্তি ভারতীয় শাস্ত্র থেকে এবং এটি একটি বিস্তৃত বিষয়, যা সংক্ষেপে বোঝানো কঠিন। অন্যদিকে ফেং শ্যুই-এর উৎপত্তি চীনা শাস্ত্র থেকে। বাস্তুর ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ভূমিকা রয়েছে। আর ফেং শ্যুই-এর ক্ষেত্রে রয়েছে ভূগোল ও এনার্জি ব্যালান্সিং তত্ত্ব।

ভারতীয় পুরাণ অনুসারে, বাস্তু পুরুষকে কেন্দ্র করে বাস্তুশাস্ত্রের দিক নির্ণয় হয়েছে। বাস্তু পুরুষের মাথা হিসেবে গণ্য করা হয় উত্তর-পূর্ব দিক এবং পা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক। এই আকৃতিতে বাস্তুপুরুষ প্রত্যেকটি ভূমিতে বিরাজ করেন। এর নেপথ্যেও রয়েছে দীর্ঘ পৌরাণিক কাহিনি। পুরাণ মতে, বাস্তু পুরুষকে ভগবান শিব আশীর্বাদ করে বলেছিলেন যে, কোনও নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে পূজিত হবেন বাস্তু পুরুষ।

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাস্তুপুরুষ বর্গক্ষেত্রের মধ্যে বিরাজ করেন। তাই বর্গক্ষেত্র আকৃতির নিরিখে পরিমাপ করা হয় এই বাস্তু। পূর্ব থেকে পশ্চিমে এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিক অনুসারে বাস্তু পরিমাপ হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: ব্লগ: আধঘুমে ডোবা স্বপ্নের নাম ‘নো ম্যান্‌স ল্যান্ড’— তমাল পাল

বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শ্যুই নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা আপনার মনে নেই তো?

বাস্তুশাস্ত্রে ‘চার-এ-দিক’

বাস্তুশাস্ত্রে মোট ১০টি দিক রয়েছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চারটি দিক হল— উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম। এই চারটি দিক গঠন করে চারটি কোণ। সেগুলি হল— উত্তর-পূর্ব: ঈশান কোণ (Ishan), দক্ষিণ-পূর্ব: অগ্নি কোণ (Agneya), দক্ষিণ-পশ্চিম: নৈঋত কোণ (Nirutya) ও উত্তর-পশ্চিম: বায়ু কোণ (Vayaya)। বাস্তুশাস্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই দিক ও কোণগুলি।

বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শ্যুই নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা আপনার মনে নেই তো? আলোচনায় মৈথিলী ঘোষ, ইন্টেরিওর ডিজাইনার (গ্ল্যামার ফ্যাশন অ্যান্ড ইন্টেরিওর)।

আর্কাইভ: প্রেরণা   ক্লিনিক   ব্লগ   বিজ্ঞান   লাইফস্টাইল   খেলা   ভ্রমণ   অ্যাঁ!   এন-কাউন্টার

আপডেট থাকুন। ফলো করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ:

 

ছবি: ইন্টারনেট


এখনই শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *