‘শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরসুম’? পাত্রীর খোঁজে শহর জুড়ে হোর্ডিং ইঞ্জিনিয়ার যুবকের

বিবিধ ডট ইন: ‘শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরসুম’? পাত্রীর খোঁজে শহর জুড়ে হোর্ডিং যুবকের । মাদুরাইয়ের ভিল্লাপুরমের বাসিন্দা এমএস জগন। বয়স ২৭। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। গত পাঁচ বছর ধরে প্রেমিকা বা জীবনসঙ্গীর সন্ধান চালাচ্ছেন তিনি। কিন্তু মনের মতো মনের মানুষ পাননি জগন। তাই এবার অন্যপথ ধরেছেন তিনি। শহরজুড়ে পোস্টার দিয়েছেন। যার মূল উপজীব্য প্রাত্রী চাই। পোস্টারে লেখা, ‘মিস রাইট চাই।’ সঙ্গে জগনের নাম, ধাম, পিতৃ পরিচয়, গোত্র, চাকরি, বেতন এমনকী পছন্দ-অপছন্দও গুছিয়ে লেখা রয়েছে। রয়েছে পাত্রের ছবিও। শহরজুড়ে বিলবোর্ড, হোর্ডিং, ব্যানার দিয়েছেন জগন। আর তাঁর এহেন কীর্তি দেখে চক্ষু চড়কগাছ শহরবাসীর।

পাত্রী চাই সংবাদপত্রে এহেন বিজ্ঞাপন দিয়ে লাভ হয়নি। ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটের বিজ্ঞাপনও কাজে আসেনি। ঘটকও খুঁজে দিতে পারেনি জীবনসঙ্গী। তাই এবার সঙ্গী খোঁজার অভিনব পথ ধরলেন তামিলনাড়ুর ইঞ্জিনিয়ার। গোটা শহরজুড়ে এখন শুধু তাঁরই চর্চা।

গত দশকে পশ্চিমির দেশগুলিতে বিলবোর্ড, পোস্টার ছাপিয়ে সঙ্গী খোঁজার ট্রেন্ড চালু হয়েছিল। লেখা থাকত, প্রেমিকা, জীবনসঙ্গী অথবা স্ত্রী চাই। তবে এদেশে বিষয়টা এখনও সেভাবে প্রচলিত হয়নি। ছকেবাঁধা কায়দায় জীবনসঙ্গী খোঁজার পালা চলে। এবার সেই ছক ভেঙে ভালবাসার সন্ধান শুরু করলেন মাদুরাইয়ের যুবক।

এই অভিনব কীর্তি প্রসঙ্গে জগন বলছেন, ‘গত ৫ বছর ধরে জীবনসঙ্গী খুঁজছি। কিন্তু মেলেনি। মনের মতে মানুষ পাইনি। তাই অন্যপথ ধরলাম। অনেকে হাসাহাসি করছেন। আমাকে নিয়ে ট্রোল করছেন। কিন্তু তাতে আমার কিছু যায় আসে না।”জীবনসঙ্গীর হদিশ পাবেন বলে আত্মবিশ্বাসী জগন। বলছেন, ‘আশা করি বিবাহযোগ্য মেয়েদের পরিবার বা খোদ পাত্রীরা আমাকে ফোন বা মেসেজ করবেন।’ আপাতত ভালবাসার অপেক্ষায় তরুণ ইঞ্জিনিয়ার। ট্রোলারদের জগনের খোঁচা, ‘ভালই তো হচ্ছে। ওঁদের খরচে আমি ভাইরাল হচ্ছি।’

ছবি: প্রতীকী

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: