ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে জেরবার, রেহাই পেতে বেড়ালের দ্বারস্থ পুলিস

বিবিধ ডট ইন: গৌরীবিদানুর পুলিস স্টেশনটি ২০১৪ সালে তৈরি হয়। পুলিস সূত্রে খবর, এই স্টেশন তৈরির পর থেকেই সেখানে ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে টেকা দায়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্টও হয়েছে ইঁদুরের জ্বালায়। অনেক চেষ্টা করেও পুলিসকর্মীরা এই বিপদ থেকে রেহাই পাননি। সমস্যা থেকে অব্যাহতি পেতে পুলিস স্টেশনেই দু’টি বিড়াল পুষল পুলিস।

মানুষ বিপদে পড়লে পুলিসের দ্বারস্থ হন। কিন্তু যদি তাঁরাই বিপদের মুখে পড়েন? বিপদের নাম ইঁদুর। পুলিসচস্টেশনের ভিতর ইঁদুরের মারাত্মক দৌরাত্ম্য। তাই তাদের হাত থেকে বাঁচতে পুলিস স্টেশনে বিড়াল-বাহিনী মোতায়েন করল পুলিস। বেঙ্গালুরু শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে কর্নাটকের গৌরীবিদানুর গ্রামীণ পুলিস স্টেশনে এই ঘটনা ঘটেছে।

কর্নাটকের বহু দফতর প্রতি বছর ইঁদুরের উৎপাত থেকে বাঁচতে বহু অর্থ ব্যয় করে৷ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্য সরকার ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এই খাতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা খরচ করেছে।

একটি সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় গৌরীবিদানুর থানার সাব-ইনস্পেক্টর বিজয় কুমার জানান, স্টেশনের অনতিদূরে একটি জলাশয় রয়েছে। সেই কারণেই স্টেশনের ভিতরে ইঁদুরের সংখ্যা বেশি। প্রথমে একটি বিড়াল পোষার পর ইঁদুরের উৎপাত বেশ খানিকটা কমে। এর পর আরও একটি বিড়াল পোষা হয়। বিড়ালগুলি এখনও পর্যন্ত তিনটি ইঁদুর মেরেছে। বিড়াল দু’টি এখন তাঁদের পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে গিয়েছে বলেও বিজয় কুমার জানিয়েছেন।

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: