স্বপ্নপূরণের উদ্দেশ্য, মহিলাদের জন্য কমিউনিটি লাইব্রেরি গড়ল দিল্লির এই গ্রাম

বিবিধ ডট ইন: গ্রামটির নাম কারালা। উত্তর পশ্চিম দিল্লিতে অবস্থিত গ্রামটি আকারে ছোট হলেও সেখানকার মেয়েদের স্বপ্ন সামান্য নয়। এদের মধ্যে কেউ বা ডাক্তার হতে চান, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার হতে চান , আবার কেউ ইউ পি এস সি স্তরের পরীক্ষাতেও সফল হতে চান। তাঁদের ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপায়ণ করতে অভিনব উদ্যোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের। শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য “কমিউনিটি লাইব্রেরি” প্রতিষ্ঠা করা হল, যার মাধ্যমে তাঁরা পরীক্ষার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারেন।

যদিও এরূপ লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা প্রধানমন্ত্রীর “বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও” যোজনার অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু তার পরও লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার কাজটি অসম্পূর্ণ ছিল, এমনটাই সূত্রের খবর। গ্রামের কাছেই লাইব্রেরিটি নির্মাণ করা হয়েছে, এবং মহিলাদের জন্য সুরক্ষার কথাটিও মাথায় রাখার পাশাপাশি তারা যাতে নির্বিঘ্নে পড়াশোনার কাজ চালিয়ে যেতে পারেন , সেই দিকগুলিকেও দেখা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এরূপ প্রচেষ্টায় মুগ্ধ হয়ে “ভিশন আই এ এস” নামক এক সংস্থা তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। সংস্থাটির মূল কাজ হলো সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করা। এক্ষেত্রে সেই সংস্থাটি প্রয়োজনীয় বই দিয়ে সাহায্য করেছেন। “বৃকশিত ফাউন্ডেশন” নামক এক সেচ্ছাসেবী সংস্থা লাইব্রেরীর ভিতরের দিকটিকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করেছেন। এরই পাশাপাশি তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর কাউন্সেলিং বা আলোচনা করারও চিন্তাভাবনা করেছেন।

এই উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে পেরে জেলার উপশাসক সৌম্য শর্মা জানিয়েছেন “সবার প্রথমে গ্রামটির একটি লাইব্রেরীর প্রয়োজন ছিল এবং তারা সেটা করতে সক্ষম হয়েছেন।” তিনি মাঝরি গ্রামের একটি মেয়ের উদাহরণ দিয়ে বলেন, “মেয়েটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্মানের সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন।” এর পাশাপাশি তিনি এও বলেন, “ সরকার অনেকদিন ধরেই এরকম একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছিল এবং সাধারণ জনগণ অনেক অনুরোধ করেছিলেন।

লিখেছেন অর্ঘ্য মৈত্র

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: