‘ক্যাটরিনা’কে চিঠি লিখতেন মার্কিন ছোটগল্পকার অ্যালান পো!

এখনই শেয়ার করুন

বিবিধ ডট ইন: মানুষ বিচিত্র জীব কথাটি বোধহয় আমরা কেউ কেউ শুনেইছি কখনও না কখনও। মানুষ বড় বিচিত্র জীব। মনের মধ্যে অদ্ভুত চিন্তা চলে। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ, শিল্পী বা এমন অন্য কোনও বিভাজন নেই। তাই সাহিত্য ক্ষেত্রেও দেখা যায় এরকম উদ্ভট চিন্তাভাবনার নমুনা। যেমন ধরুন, কখনও কি মার্কিন ছোটগল্পকার অ্যালান পো-র বিখ্যাত কোনও গল্প পড়ে বোঝার উপায় থাকে যে, তিনি কীরকম উদ্ভট খেয়ালের অধিকারী ছিলেন! হ্যাঁ, অ্যালান পো ছিলেন অদ্ভুত খেয়ালের অধিকারী।

কোনও নতুন লেখা শুরু করার সময় অ্যালান পো একটি বিশেষ দিকে নজর রাখতেন। গল্পের চরিত্র, সংলাপ সব তৈরি করে তবেই লেখার কাজে হাত দিতেন। তবে এরকম অজস্র উদাহরণ হয়তো আছে আমাদের বাংলা সাহিত্যেও। অ্যালান পো এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। কারণ লেখালিখির জন্য তিনি অদ্ভুত পদ্ধতি অনুসরণ করতেন। তিনি মনে করতেন, ঘরে দ্রুত পায়চারি করলে ভাবনা দ্রুত মাথায় আসে।

তবে এখানেই শেষ নয়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ‘চিঠি লেখা’ বিষয়টাই হয়তো ‘ব্যাকডেটেড’ মনে হবে। কিন্তু সেটা আসল কথা নয়, অ্যালান পো-র ক্ষেত্রে মজার কথা হল, তিনি চিঠি লিখতেন তাঁর পোষ্যকে। পোষ্য আমাদের সবার কাছেই প্রিয়। কিন্তু দূরে থাকলে পোষ্যকে চিঠি দেওয়া— এই আচরণ সত্যিই বিস্ময়কর। তাঁর যে পোষা বিড়ালটি ছিল, সেটির নাম ক্যাটরিনা।

লেখকের এরকম অদ্ভুত খেয়ালের উদাহরণ প্রচুর রয়েছে। আসলে, প্রত্যেক মানুষের অবচেতন মনে ভিড় জমায় কিছু এলোমেলো কখামখেয়ালি চিন্তা। কিন্তু তাকে আমরা হয়তো বিভিন্ন কারণে (লোকনিন্দা বা অন্যকিছু) মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে দিই না। কিন্তু এঁদের সৃষ্টিশীল মন কোনও নির্দিষ্ট কিছুতেই বাঁধা পড়েনি। তারই হয়তো বহিঃপ্রকাশ এই অদ্ভুত খেয়ালি আচরণ।

 

ক্যাটরিনাকে চিঠি লিখতেন মার্কিন ছোটগল্পকার অ্যালান পো লিখলেন সপ্তপর্ণী সেন।

সোর্স: Roar


এখনই শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।