চায়ের কিসসা: একাদশ পর্ব

সাম্য রায়
সাম্য রায়

বিবিধ ডট ইন-এ চা নিয়ে এমনই মজার এবং অজানা তথ্য নিয়ে ‘চায়ের কিসসা’ ধারাবাহিক লিখছেন সাম্য রায়। প্রতি রবিবার চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজে

ভাল করে খুঁটিয়ে পাতা দেখার পরের স্টেপ তা নাক শুঁকে নেওয়া (nose dry)। এই পদ্ধতিতে ব্রিটিশ আর চৈনিকে বিস্তর বা ফারাক রয়েছে।

‘আমি আজ অব্দি কাউকে চা পাতা শুঁকে চা কিনতে দেখিনি(ট্রেডিং)!’ সুতরাং এটা কোনও সিলেকশন প্রসেস নয়। এটিকে সেমি রিজেকশন প্রসেস বলা চলে। সেমি, কারণ কেবলমাত্র পাতার গন্ধ বিচার করে বাতিলও করা যায় না। ‘পরে দেখছি’ বলে বড়জোর কিছুক্ষণ ‘ডিলে’ করা যায়!
এই পদ্ধতিতে ভালো ফ্লেভর পেলে, অভিজ্ঞ নাক adulterated কিনা বুঝতে পারে।

CTC-র দানার উপর খুব কাছ থেকে মুখের ভাপ দিয়ে, দানার কাছে নাক ঠেকালে চায়ের কিছুটা ফ্লেভর পাওয়া যায়।

পাতা চায়ের ক্ষেত্রে, পাতার উপর মুখের ভাপ দেওয়া পাতার অসম্মান! এর ফলে পাতার সূক্ষ্ম ফ্লেভার নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নাকের খুব কাছে পাতা নিয়ে, বুক ভরে প্রশ্বাস টানতে হয়।

এক্ষেত্রে চৈনিক পদ্ধতিটাই আমার পছন্দের। তবে ভারতে মূলত, ব্রিটিশ পদ্ধতিই চলে আসছে আজও।

পেয়ালায় গরম জল ঢেলে ভালো করে রিন্স করে, জল ফেলে দিয়ে শুকনো পাতা ঢালার পর নাকে শোঁকা। এতে অল্প অক্সিডাইজ হয়।
(ছবিতে অর্থোডক্স ব্ল্যাক ফার্স্ট ফ্লাশ)

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: