উইন্টার অলিম্পিক্সে ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি আরিফ খান

 

বিবিধ ডট ইন: টোকিও অলিম্পিকে সাত দশক পর সোনা জিতে নজির সৃষ্টি করেছেন ভারতের নীরজ চোপড়া। প্যারালিম্পিকেও দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া, অবনী লেখারাদের দুরন্ত পারফর্ম করেছেন। দুটো গেমসেই পদকে আলো জ্বালিয়েছিলেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। কিন্তু অলিম্পিক চক্রের তৃতীয় গেমসে পদকের স্বপ্ন দেখার খুব একটা সুযোগ হয়তো পাওয়া যাবে না। কারণ, ভারত থেকে মাত্র একজন প্রতিনিধি উইন্টার অলিম্পিকে নামার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। জম্মু-কাশ্মীরের আরিফ খান দুটো ইভেন্টে নামার জন্য পৌঁছে গেলেন বেজিংয়ে। ১৩ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর ইভেন্ট। শীতকালীন অলিম্পিকের আগে সারা দেশে।

কে এই আরিফ? ভারতে স্কি করার উপযুক্ত জায়গা হল গুলমার্গ। সেখানেই ৪ বছর বয়সে স্কি-তে হাতেখড়ি আরিফের। শ্রীনগরের ৩১ বছরের ছেলে নানা প্রতিবন্ধকতা ঠেলে পৌঁছেছেন অলিম্পিকের আসরে। ২০০৮ সাল থেকে অলিম্পিকে নামা স্বপ্ন তাঁর। গত বছর দুবাইয়ে বিশ্ব মিটে শেষ পর্যন্ত অলিম্পিকের টিকিট পেয়েছেন। কী ভাবে এলেন স্কি-তে? আরিফ শোনাচ্ছেন গল্প,

আমার তখন চার বছর বয়স। বাবা স্কিয়িং কোর্সে ভর্তি করে দিয়েছিল। তখন থেকে বাবাকে সব সময় পাশে পেয়েছি।

কে বলে স্বপ্ন সত্যি হয় না? আরিফরা পারেন সব বাধা টপকে যেতে। স্বপ্নের সীমানা ছাড়িয়ে আশ্চর্য কিছু পেয়েও যান তাঁরা। হাজিবাল তাংমার্গের ছেলে সব মিলিয়ে চারবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নেমেছেন। মোট ১২৭টা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নেমেছেন তিনি। সে দিক থেকে দেখলে অভিজ্ঞতায় ভরপুর আরিফ। সেই কারণেই অলিম্পিকে নিজের মেলে ধরার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। আরিফ বলছেনও,

আমার স্বপ্ন এতদিনে পূরণ হল। অনেকগুলো বছর ধরে এই জায়গায় পৌঁছনোর চেষ্টা করছিলাম। আমার বাবাও এই একই স্বপ্ন দেখেছেন এতদিন ধরে।

বেজিংয়ে যাওয়ার আগে গুলমার্গে ক’দিন ঘুরে গিয়েছেন আরিফ। যে জায়গায় ট্রেনিং করে অলিম্পিকে পা রাখতে চলেছেন, যে কোচেদের পাশে পেয়েছেন, যে সমর্থকরা সাহজ জুগিয়েছেন, তাঁদের ভালোবাসা নিতেই গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে স্কি শুরু করেন আরিফ। ২০০৮ সাল থেকে পেশাদার সার্কিটে পা দেন। আরিফ বলছেন,

গুলমার্গ স্কিয়িংয়ের জন্য সেরা জায়গা। তাই বিশ্বের সেরা মঞ্চে যাতে গুলমার্গ, কাশ্মীর এবং ভারতের কথা সবাই বলে, সেই লক্ষ্য নিয়েই অলিম্পিকে নামছি। ১৪০ কোটির দেশের একমাত্র প্রতিনিধি আমি। সেরাটা দিতেই হবে।

ভারতে স্কি করার উপযুক্ত জায়গা হল গুলমার্গ। সেখানেই ৪ বছর বয়সে স্কি-তে হাতেখড়ি আরিফের। শ্রীনগরের ৩১ বছরের ছেলে নানা প্রতিবন্ধকতা ঠেলে পৌঁছেছেন অলিম্পিকের আসরে। ২০০৮ সাল থেকে অলিম্পিকে নামা স্বপ্ন তাঁর। গত বছর দুবাইয়ে বিশ্ব মিটে শেষ পর্যন্ত অলিম্পিকের টিকিট পেয়েছেন।

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: