কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন: বড়পর্দায় না দেখলে অর্ধেক মিস! ফের সাফল্য সৃজিত-প্রসেনজিৎ জুটির?

 

বিবিধ ডট ইন: বহুদিন পরে দোসর সন্তুকে নিয়ে হাজির কাকাবাবু। সদ্য মুক্তি পেয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত নয়া ছবি ‘কাকাকাবুর প্রত্যাবর্তন’। যদিও ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের বড়দিনে। মাঝে করোনার কারণে দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রের মত বিনোদন ক্ষেত্রেও লকডাউন নানান সমস্যা সৃষ্টি হয়, যার দরুন পিছিয়ে যায় ছবি মুক্তির তারিখ।

অনলাইন গেমের নেশা? ভয়ঙ্কর পরিণতি ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাওয়া বাঁকুড়ার ছাত্রের

শেষ পর্যন্ত চলতি বছর ২০২২ সালে সরস্বতী পূজার প্রাক্কালে মুক্তি পেল ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’।করোনা পরবর্তী সময়ে ওটিটি প্লাটফর্ম একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে আপনি যদি কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন ছবিটি ওটিটি প্লাটফর্মে দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে একটি বিষয় আপনার জেনে রাখা ভালো, তা হল এই ছবিটি দেখার জন্য বড় পর্দা মুখী হতেই হবে আপনাকে। বড় পর্দায় না দেখলে ছবির অর্ধেক আনন্দই নষ্ট হবে।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল কে’ গল্পটিকে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই ছবি। তবে মূল গল্পের সাথে রয়েছে বেশ কিছু পার্থক্য। আফ্রিকা সফরে ছুটি কাটাতে গিয়ে আবারও এক নতুন রহস্যের সমাধানে নেমে পড়েন কাকাবাবু এবং সন্তু। হোটেল থেকে উধাও পর্যটকেরা কোথায় যাচ্ছেন, রহস্য সমাধানে নেমে পড়েন কাকাবাবু ও সন্তু। এখান থেকেই শুরু ছবি।

প্রকাশের আগেই ‘সুপারহিট’! মুক্তি পেল রূপমের উপন্যাস ‘অনামিকা বলে ডাকতে পারি কি তোমায়’

এবারে প্রথমেই কথা বলে নেয়া যাক সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে। ছবির পটভূমি আফ্রিকা, বাঙালি দর্শকদের যে ছবির সিনেমাটোগ্রাফি মুগ্ধ করবে তা ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল। এককথায় বলা যায় সিনেমাটোগ্রাফার সৌমিক হালদার নিজের কাজের মাধ্যমে মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের।

বাজারে আসছে পতঞ্জলির ক্রেডিট কার্ড? ১০ লক্ষ টাকার সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা, ঘোষণা রামদেবের

মূল গল্পের সাথে ছবির চিত্রনাট্যে বেশকিছু জায়গায় পরিবর্তন থাকলেও সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবির সংলাপ কিন্তু মন কাড়বে দর্শকদের। অন্যান্য বারের তুলনায় এবারে ছবিতে অ্যাকশন কিছুটা কম থাকলেও কাকাবাবু অর্থাৎ রাজা রায়চৌধুরীর চরিত্রে আবারো বাজিমাত করলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সন্তুর চরিত্রে আরিয়ান ভৌমিক বেশ ভালো কাজ করেছেন। ভালো লেগেছে অনির্বাণ চক্রবর্তীর অভিনয়ও। চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই ছবির জন্য পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় বেছে নিয়েছেন অসংখ্য ভিনদেশী অভিনেতাদের। তবে আবারো এত সুন্দর ভাবে কেনিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাঙালি দর্শকদের সামনে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ দিতে হয় সিনেমাটোগ্রাফার সৌমিক হালদার কে।

অমল দে-কে জটায়ুর চরিত্রে ছবিতে অন্য ভাবে উপস্থাপিত করেছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। জঙ্গল এবং তার জানোয়ার সম্পর্কিত নানান তথ্য ছবির বিভিন্ন সংলাপের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক। চোখ জুড়ানো আফ্রিকান সাফারি নিঃসন্দেহে এই ছবির ইউএসপি। অতি মারি আবহে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ভিত নড়বড়ে হয়ে উঠেছিল। এই ছবি যদি দর্শকদের বহুদিন পর আবারো প্রেক্ষাগৃহে মুখী করে তোলে তবে তা নিঃসন্দেহে বাংলা সিনেমার ভিত মজবুত করতে সহায়তা করবে তা বলা বাহুল্য।

হ্যালো! আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান

%d bloggers like this: